২০১৮ সালের শুরুর দিকে কয়েকজন তরুণ উ দ্যোক্তা একটা সমস্যা দেখলেন। বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের চাহিদা আছে, কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্টে এবং বাংলাদেশি বেটারদের আসল চাহিদা থেকে অনেক দূরে। সেই ফাঁকটা পূরণ করতেই ce 33-এর জন্ম।
শুরুতে শুধু ক্রিকেট ও ফুটবলে বেটিং ছিল। কিন্তু ব্যবহারকারীদের মতামত শুনে ce 33 দ্রুত বাড়তে থাকে। লাইভ বেটিং, ক্যাসিনো, স্লট, ই-স্পোর্টস — একের পর এক বিভাগ যোগ হয়। প্রতিটি পদক্ষেপে একটাই প্রশ্ন ছিল: বাংলাদেশি বেটাররা কি এটা সহজে ব্যবহার করতে পারবেন?
আমাদের মূলনীতি: ce 33 কখনো ব্যবহারকারীদের অন্ধকারে রাখে না। অডস কীভাবে কাজ করে, বোনাসের শর্ত কী, উইথড্রয়ালে কতক্ষণ লাগবে — সব তথ্য সবসময় পরিষ্কার ও বাংলায় জানানো হয়।
ce 33-এর সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো স্থানীয়করণ। বিকাশ, নগদ, রকেটে পেমেন্ট; সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস; বাংলাদেশি ক্রিকেট ও ফুটবলে বিশেষ মনোযোগ — এগুলো ce 33-কে বাকিদের থেকে আলাদা করে। যখন বাংলাদেশ বনাম ভারতের ম্যাচ থাকে, ce 33-এর সার্ভারে লক্ষাধিক বেটার একসাথে সক্রিয় থাকেন — এবং প্ল্যাটফর্ম নির্বিঘ্নে চলে।
আমরা বিশ্বাস করি দায়িত্বশীল বেটিং মানে শুধু বয়স যাচাই নয়। ce 33-এ বেটাররা নিজেই তাদের দৈনিক বা মাসিক বেটিং সীমা ঠিক করে দিতে পারেন। কেউ যদি মনে করেন একটু বিরতি দরকার, সেলফ-এক্সক্লুশন অপশন সবসময় সক্রিয় আছে। আনন্দের জন্য বেটিং — এটাই আমাদের দর্শন।
আজ ce 33 শুধু একটি বেটিং সাইট নয়, এটি বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের কাছে বিনোদনের একটি বিশ্বস্ত ঠিকানা। প্রতিটি উইথড্রয়াল সময়মতো, প্রতিটি বোনাস প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, প্রতিটি সমস্যায় বাংলায় সাহায্য — এই তিনটি জিনিস ce 33 কখনো আপোষ করে না।